Post Jobs

মাইক্রোসফট এক্সেল কেন শিখবেন

মাইক্রোসফট এক্সেল কেন শিখবেন? আসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন? আশা করি অনেক ভাল আছেন। বন্ধুরা আজকে আমি আলোচনা করব, আপনি কেন মাইক্রোসফট এক্সেল শিখবেন?

মাইক্রোসফট এক্সেল কেন শিখবেন

কেন মাইক্রোসফট এক্সেল শিখবেন? নির্দিষ্ট কাজের জন্য নির্দিষ্ট সূত্র বা ফর্মূমুলা প্রয়োগে সম্পূর্ণ ও স্বক্রিয় ডাটাবেজ ফাইল তৈরি করা যায় মাইক্রোসফট এক্সেলে।

অর্থাৎ মাইক্রোসফট এক্সেল ব্যবহার করে চ’ড়ান্ত, নিখুঁত এবং নির্ভুল ফলাফল প্রদর্শন করা যায়। এছাড়া বিভিন্ন ইনপুটকৃত বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে দর্শনীয় চ্টা বা গ্রাফ তৈরি করাও সম্ভব এই সফটওয়ারে। ডাটা বা এর ফলাফলের নিরিখে প্রঢোজনীয় ছবি ব্যবহারের মাধ্যমে আপনার ডকুমেন্টের একটি চমকপ্রদ প্রেজেন্টেশনও তৈরি করতে পারবেন অনায়াসে।

বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করার জন্য সারা বিশে^র কম্পিউটার ব্যবহারকারীরা মাইক্রোসফট এক্সেলের উপর নির্ভরশীল। কারণ, একমাত্র মাইক্রোসফট এক্সেলের সাহায্যেই প্রবেশকৃত ডাটার ভিত্তিতে আপনি যে কোন ধররের নির্ভুল চার্ট তৈরি করতে পারেন।

বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করার জন্য সারা বিশ্বের কম্পিউটার ব্যবহারকারীরা মাইক্রোসফট এক্সেলের উপর নির্ভরশীল। কারণ, একমাত্র মাইক্রোসফট এক্সেলের সাহায্যেই প্রবেশকৃত ডাটার ভিত্তিতে আপনি যে কোন ধরনের নির্ভুল চার্ট তৈরি করতে পারেন।

যারা প্রাত্যহিক হিসাব নিকাশ নিয়ে কাজ করছেন- মাইক্রোসফট এক্সেল তাদের জন্য নিয়ে এসেছে চমৎকার ডাটাবেজ পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে প্রাত্যহিক, সাপ্তাহিক, মাসিক এমনকি বার্ষিক হিসাব প্রতিবেদন পর্যন্ত তৈরি করতে পারবেন অত্যন্ত সহজ পদ্ধতিতে। প্রয়োজনিয় সূত্রের ব্যবহারে এবং সেই সাথে মনেগ্রাহী চার্ট বা গ্রাফ সংযোগ মাইক্রোসফট এক্সেল আপনাকে করতে পারে প্রয়োজনীয় পরিপূর্ন সহযোগিতা।

মাইক্রোসফট এক্সেল দিয়ে আমরা কি করতে পারি?

মাইক্রোসফট এক্সেলের সাহায্যে আপনি নিচের কাজ গুলো অনায়াসে করতে পারবেন।

আপনার প্রতিদিনের হিসাব ও বিশ্লেষণ।

  •  সাপ্তাহিক, মাসিক এবং বার্ষিক হিসাব বিবরণীর প্রতিবেদন তৈরি।
  • এ্যাকাউন্টিং বা ব্যাংকিং ব্যবস্থাপনায় যাবতীয় হিসাব সংরক্ষন ও ডেবিট- ক্রেটিটের পূর্ণ বিবরনীর তথ্যাদি সংরক্ষন ও বিশ্লেষণপূর্বক ফলাফল প্রদান করা।
  • যে কোন প্রতিষ্ঠানের কর্মচারিদের বেতন, বোনাস সহ আয়-ব্যায়ের পূর্ণ বিবরণ সংরক্ষণ ও বিশ্লেশণ ভিত্তিক রির্পোট তৈরী করা।
  • ব্যবস্যা প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় আয়-ব্যয়ের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র হিসাব-নিকাশের পূর্ণ বিবরণী ডাটাবেজ ফাইল তৈরী করা সহ সব ধরনের পরিসংখ্যান করা।
  • সংখ্যাভিত্তিক যে কোন ধরনের ফরম্যাটের সুক্ষèাতিসুক্ষ হিসাব বিবরনের দাখিলা প্রস্তুত সহ উপস্থাপনের জন্য রিপোর্ট আকারের তৈরী করা বা সব ধরনের আর্থিক ব্যবস্থাপনা করা যায়।
  • এছাড়া সংখ্যা ও ডাটাভিত্তিক যে কোন তথ্যে প্রয়োজনীয় সৌন্দর্যের অনুষঙ্গ যুক্ত করার জন্য বিভিন্ন ধরনের Chart ও Graph তৈরি করা যায়।

মাইক্রোসফট এক্সেলে আপনি যত নির্ভুলভাবে তথ্য এবং সংখ্যাভিত্তিক ডাটা ইনপুট করাতে পারবেন- ফলাফল তত নির্ভুলভাবে প্রদর্শিত হবে। যে কোন ধরনের হিসাব নিকাশের কাজে মাইক্রোসফট এক্সেল তাই একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দখল করে আছে।

সবচেয়ে বড় কথা, মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে তৈরীকৃত বিভিন্ন সেল টেবিলের তথ্যগুলোকে এক্সেলের স্পেডশিটে নিয়ে আসা যায় অতি সহজেই। সুতরাং মাইক্রোসফট এক্সেল থেকে শুধু যে পরিসংখ্যানভিত্তিক তথ্যাবলীর ইনপুট এবং আউটপুট পাওয়া যায় তা নয়- সেই সাথে সব ধরনের আর্থিক ব্যবস্থাপনার একটি নিখুঁত আউটপুট পেতে পারেন আপনি।

আপনার কর্মক্ষেত্রের একটি পরিপূর্ণ আর্থিক ব্যবস্থপনার জন্য আপনি অনায়াসে নির্ভর করতে পারেন মাইক্রোসফট এক্সেলের উপর। কারণ, মাইক্রোসফট এক্সেল হলো হিসাব নিকাশের জন্য একটি পরিপূর্ণ সফটওয়্যার। যে কোন ধরনের বেতন কাঠামো, ব্যবস্থাপনা সহ একটি কর্পারেট অফিসের যাবতীয় হিসাব ভিত্তিক কাজ আপনি সম্পূর্ণ করতে পারেন মাইক্রোসফট এক্সেল ব্যবহার করে।

এছাড়া ইন্টানেটের মাধ্যমে পরিসংখ্যানগত বিভিন্ন আউটসোর্সিং কাজগুলো এক্সেল ভিত্তিক হয়ে থাকে। সুতরাং আপনি যদি এই ধরনের কাজে উৎসাহী হয়ে থাকেন-তাহলে মাইক্রোসফট এক্সেল শেখা আপনার জন্য খুবই জুরুরী।

1 Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *